আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অধস্তন আদালতে ৪০ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এ মামলার জট দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার।
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৫তম দিনে বিএনপির সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।
ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
আইনমন্ত্রী জানান, মামলার জট নিরসনে ৮৭১ আদালত এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এছাড়া আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃষ্টি প্রক্রিয়াধীন। নতুন ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের কার্যক্রম চলমান। বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে অধস্তন আদালতের স্টেনো-টাইপিস্ট, স্টোনোগ্রাফার, অফিস সহায়ক ও চালকের শূন্যপদে ৭০৮ জন বিচার বিভাগীয় কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। বিভিন্ন পদে আরও ৫৫৩ কর্মচারী নিয়োগ চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনসহ গুরুত্বপূর্ণ মামলার বিচার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করতে সলিসিটরকে সভাপতি করে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলা লিগ্যাল এইড অফিস শক্তিশালী করা হয়েছে, অভিজ্ঞ মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে এবং বিনামূল্যে আইনি সহায়তার জন্য ১৬৬৯৯ হটলাইন চালু করা হয়েছে। এছাড়া অধস্তন ও উচ্চ আদালতের কজলিস্ট শতভাগ অনলাইন করা হয়েছে, ফলে এখন ঘরে বসেই মামলার তারিখ জানা যাচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ লাঘব এবং মামলার জট নিরসনে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে আদালতে মামলার চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং জনগণ দ্রুত ন্যায়বিচার পাবে।’
পতাকানিউজ/আরবি

