যৌতুক মামলায় কারাগারে থাকা আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও টিকটকার আবদুল্লাহ আল মামুন ওরফে প্রিন্স মামুনকে এবার আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে করা মামলাতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বুধবার. ২৯ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন।
প্রিন্স মামুনের আইনজীবী পলাশ চৌধুরী রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত সোমবার তদন্ত কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই মো. ইয়াউর রহমান ঢাকার আদালতে প্রিন্স মামুনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওই আবেদনের ওপর আজ শুনানির দিন ধার্য ছিল। প্রিন্স মামুনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। পরে আবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে মামুনের আইনজীবী জামিনের আবেদন করলে আদালত নামঞ্জুর করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৪ জুলাই রাতে রাজধানীর ভাটারার বাসায় অবস্থানকালে প্রিন্স মামুন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তার স্ত্রী আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনার ব্যবহৃত একটি শাড়ি সিলিং ফ্যানের সঙ্গে বেঁধে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এসময় তিনি ওই ঘটনার জন্য স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যদের দায়ী করে বক্তব্য দেন।
লাইভটি দেখে মোহনা, তার মা, স্বজন এবং মামুনের বাবা-মা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়।
ঘটনার পর আতিকিয়া ফাইজাহ মোহনা বাদী হয়ে ভাটারা থানায় দণ্ডবিধির ৩০৯ ধারায় আত্মহত্যার চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন। আত্মহত্যার চেষ্টা একটি ফৌজদারি অপরাধ। এ অপরাধ প্রমাণিত হলে এক বছর পর্যন্ত শাস্তির বিধান রয়েছে দন্ডবিধির ৩০৯ ধারায়।
এর আগে একইদিন সকালে এক কোটি টাকা যৌতুক দাবি এবং যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা করেন মোহনা।
ওই মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে ২৪ জুলাই কারাগারে পাঠানো হয়।
পতাকানিউজ/এএ/আরবি

