আরেক মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে মডেল সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে। আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. তাজুল ইসলাম সোহাগ গ্রেপ্তার দেখানোর এ নির্দেশ দেন।
মিষ্টি সুবাসকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলম সোহাগ মডেল মিষ্টি সুবাসকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। মিষ্টি সুবাসের আইনজীবী গোলাম রাব্বানী গ্রেপ্তার দেখানোর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
আইনজীবী গোলাম রাব্বানী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বেলা আড়াইটার দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল মোড় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী কোটা আন্দোলনের সমর্থনে আয়োজিত একটি মিছিলে অংশ নেন রুহুল আমীন। এ সময় তার বাম পায়ের গোড়ালিতে গুলি লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। চিকিৎসা শেষে গত বছরের ৩ অক্টোবর রুহুল আমীন বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। মামলায় ৫৩ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গুলিবর্ষণের ঘটনায় এজাহারভুক্ত আসামিদের সহযোগী হিসেবে মিষ্টি সুবাস প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে তদন্তে প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।
গত ২৬ মার্চ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ‘জয় বাংলা’ ও ‘জয় বঙ্গবন্ধু’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেওয়ার ঘটনায় মিষ্টি সুবাস আলোচনায় আসেন। ওই দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মীর সঙ্গে অবস্থান করার অভিযোগে পুলিশ তাকে আটক করে।
ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলায় তিনি জামিন পান। জামিন পেল তিনি কারাগার থেকে বের হতে পারেননি। কারণ তাঁকে একের পর এক অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
-পতাকানিউজ/এএ

