সম্পাদকের টোকা :
ব্যাংক মানে আমরা কী বুঝি? মানুষ যেখানে টাকা জমা রেখে নিশ্চিন্তে ঘুমাবে; আবার বেশি টাকা প্রয়োজন পড়লে কিছু শর্ত মেনে সেখান থেকে ঋণ তুলে কাজ সারতে পারবে– সেটাই তো ব্যাংক।
তো, দেশের সবথেকে ভালো ব্যাংক কোনটি? এই মুহূর্তে আমরা বিভ্রান্ত। ব্যাংকে রাখা জনগণের আমানত যেভাবে লুটপাটের কথা শুনছি, তাতে করে সবথেকে ভালো ব্যাংক তো দূরের কথা, দেশে আদৌ কোনো ভালো ব্যাংক আছে কি না, এই প্রশ্ন ঢুকে গেছে মানুষের মনে।
আস্থা–বিশ্বাসের প্রতীক ব্যাংক নিয়ে দেশবাসীর মনে এমন প্রশ্ন জাগা নিঃসন্দেহে ভয়ানক গুরুতর বিষয়। তবে পতাকানিউজ দেশের মানুষকে অভয় দিয়ে বলতে চায়– ভালো নিশ্চয় আছে। ভালোর অস্তিত্ব না থাকলে মন্দ একা চলতে পারে না। এই দ্বান্দ্বিক নিয়মেই চলে সমাজ ও বিশ্ব। আমাদেরও ভালো ব্যাংক আছে। সরকারিগুলো তো লুটপাটের আখড়া। বেসরকারিগুলোর মধ্যে বিশ্বমঞ্চে গর্ব করার মতো ছিল– ইসলামী ব্যাংক। কিন্তু সেখানেও পড়েছে লুটেরাদের থাবা। এখন সেটা ক্ষতবিক্ষত দেহে যেন বাঁচার লড়াই করে যাচ্ছে। এর পরেই আমাদের ছিল– ডাচ্–বাংলা ব্যাংক (ডিবিবিএল)।
দেশের আনাচে–কানাচেও দেখা যায় ডাচ্–বাংলা নামের সাইনবোর্ড। সারা দেশে এই ব্যাংকের শাখা আছে ২৪২টি; উপশাখা ৩০৭টি; এটিএম বুথ আছে ৪,১৫১টি। ২০২৪ সালের হিসাবে আরো দেখা যায়, এই ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট আছে, এমন গ্রাহকের সংখ্যা ১ কোটি সাড়ে ৮ লাখের কাছাকাছি; আর আমানত প্রায় ৫২ হাজার ১৮৮ কোটি টাকা।
শুধু তাই নয়, এই ডিবিবিএলই দেশে আধুনিক ব্যাংকিং সেবার পথীকৃৎ; আর্থিকখাতে প্রযুক্তি ব্যবহারে অগ্রদূত। সার্বক্ষণিক নগদ অর্থের চাহিদা মেটাতে এটিএম বুথকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিয়েছে এই ব্যাংক। শিক্ষার্থী, নারী, ও তৃণমূলের মানুষও আধুনিক ব্যাংকিং সেবার আওতায় এসেছে ডাচ্–বাংলার কল্যাণে।
দেশের প্রথম মোবাইল আর্থিক সেবা ‘রকেট’ চালুর মাধ্যমে ব্যাংকিংয়ে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে ডিবিবিএল। এটি শুধু নগদ লেনদেনকেই সহজ করেনি, পাশাপাশি লাখো মানুষকে ডিজিটাল আর্থিক ব্যবস্থার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। সামাজিক দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এদের শিক্ষাবৃত্তি। এসব মিলিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের করা টেকসই ব্যাংকের তালিকায় এবারও স্থান করে নিয়েছে ডাচ্–বাংলা ব্যাংক পিএলসি।
কিন্তু অতি সম্প্রতি এই ব্যাংকটি নিয়ে কিছু নেতিবাচক সংবাদ জানা যাচ্ছে। প্রশ্ন হলো- কুখ্যাত ব্যাংক–লুটেরাদের থাবা ডাচ্–বাংলায় পড়েছে বলে এখন পর্যন্ত তো জানা যায়নি; তাহলে হঠাৎ কী এমন হলো কোটি মানুষের ‘বিশ্বস্ত সহযোগী’ ডাচ্-বাংলা পিএলসিতে?
জানার জন্য পতাকানিউজ নামে অনুসন্ধানে। বেরিয়ে আসে বেশ কিছু অজানা তথ্য ও সঙ্গত প্রশ্ন। তবে প্রিয় পাঠক, জোর গলায় বলে রাখি, এই অনুসন্ধান আমরা তুলে ধরছি সম্পূর্ণ গঠনমূলক উদ্দেশ্যে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ভেতরে-বাইরে যাই ঘটুক না কেন, আমরা চাই, এসবের সুষ্ঠু ও সুন্দর সমাধান হোক এবং ব্যাংকটির প্রতি কোটি মানুষের আস্থা আগের মতোই অটুট থাকুক। ডাচ্-বাংলার মতো ব্র্যাক ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, উত্তরা, প্রাইম, যমুনা, পূবালী, ট্রাস্ট, ব্যাংক এশিয়া, শাহজালাল, এনসিসি, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের মতো হাতেগোনা আর যে কয়টি ব্যাংক এখনও কোটি কোটি মানুষের আস্থা ধরে রেখে দেশের অর্থনীতির ভরসাস্থল হয়ে আছে, সেই কয়টি ব্যাংক যেন অতি যত্নে লালিত হয়, সেটাই কামনা করে পতাকানিউজ।
*
ঢাকার অর্থঋণ আদালতের সাম্প্রতিক একটি রায় দেশের ব্যাংকখাতকে নাড়িয়ে দিয়েছে। গত ২৪ আগস্ট অর্থঋণ আদালত–৫ এর বিচারক মুজাহিদুর রহমান ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন আহমেদ ও তার ছেলে সাবেক চেয়ারম্যান সায়েম আহমেদের নামে থাকা প্রায় ২০ কোটি শেয়ার হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। ব্যাংক এশিয়ার ১২৯ কোটি টাকার খেলাপি ঋণের মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নির্দেশ দেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, সাহাবুদ্দিন আহমেদের নামে ১৭ কোটি ৭৬ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৪টি এবং সায়েম আহমেদের নামে রয়েছে ২ কোটি ১৭ লাখ ৩৮ হাজার ৩৩৭টি শেয়ার। সব মিলিয়ে ১৯ কোটি ৯৩ লাখ ৬৮ হাজার ১৩১টি শেয়ার জব্দ হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৮১৯ কোটি টাকা। ব্যাংকটির মোট শেয়ারের প্রায় ২৩ শতাংশ এভাবে অবরুদ্ধ হয়েছে।
ব্যাংক এশিয়া জানিয়েছে, ব্যক্তিগত গ্যারান্টির বিপরীতে তারা ঋণ দিয়েছিলো; কোনো স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রাখা হয়নি। দুই দফা পুনঃতফসিল করেও ঋণ আদায় করতে না পেরে অবশেষে আদালতের দ্বারস্থ হয় তারা।
ভবন কেনা বিতর্ক
এমন পরিস্থিতিতে গত মঙ্গলবার ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ১ হাজার ১৬ কোটি টাকা খরচ করে সাড়ে ২১ তলাবিশিষ্ট একটি বাণিজ্যিক ভবন কেনার। ভবনটির ঠিকানা ৪৭ মতিঝিল। এই তথ্য জানানো হয় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মূল্য সংবেদনশীল তথ্যে।
পতাকানিউজের অনুসন্ধানে জানা যায়, এই বহুতল ভবনটির মালিক সাহাবুদ্দিন আহমেদের স্ত্রী আছমা আহমেদ। ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় আছে সাহাবুদ্দিন আহমেদের মালিকানার এ এ হোল্ডিংসের কার্যালয়। আর বাকি তলাগুলো ভাড়া নিয়েছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক। এই ভবনেই ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ভাড়া নিয়ে চলছে। অর্থাৎ বহুদিন ধরে পরিবারটি ভাড়ার টাকা নিচ্ছে ব্যাংকের কাছ থেকেই। অর্থাৎ নিজেদের ভবন ব্যাংকের কাছে এতোদিন ভাড়া দেয়ার পর এখন সেই ভবনটি ব্যাংকের কাছে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে পরিবারটি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে মুজেরী এ ঘটনাকে ‘স্বার্থের দ্বন্দ্ব’ হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, ‘কোনো ব্যাংক পরিচালকের কোনো ভবন কিনতে পারে না; এমনকি ভাড়ায় থাকাও সঠিক নয়। কারণ ব্যাংকের মালিক পরিচালকরা নন; প্রকৃত মালিক হলেন সাধারণ আমানতকারীরা। বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভীরভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।’

আগের নিয়ন্ত্রণই বহাল
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এখন সাহাবুদ্দিন আহমেদ ব্যাংকের চেয়ারম্যান বা পরিচালক নন, তবু বাস্তবে তিনি পরিবারকে সামনে রেখে পুরো নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। এর আগে ছেলে সায়েম আহমেদ ছিলেন চেয়ারম্যান; আর এখন মেয়ে সাদিয়া রাইন আহমেদ এই দায়িত্বে। বয়স মাত্র ৩৫ বছর হলেও সাদিয়া ২০২৩ সালের জুন থেকে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে আসীন হন।
ব্যাংকের একজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘সাহাবুদ্দিন আহমেদ এখনো আড়াল থেকে সব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। বড় কর্মকর্তাদের প্রতিদিন তার কাছেই জবাবদিহি করতে হয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে না আসায় তিনি বিতর্ক এড়িয়ে গেছেন।’
একজন সাহাবুদ্দিন আহমেদ
দেশের টেক্সটাইলখাতের পুরোনো ব্যবসায়ী পরিবার থেকে এসেছেন সাহাবুদ্দিন আহমেদ। তার দাদার প্রতিষ্ঠিত ‘তামিজউদ্দিন টেক্সটাইল মিলস’ উত্তরাধিকার সূত্রে পান তিনি। কিন্তু ব্যবসায়িক ব্যর্থতা, বিদেশী তহবিল ব্যবস্থাপনায় জটিলতা ও উচ্চসুদের চাপে পড়ে সাহাবুদ্দিন একসময় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। এর পরই ডাচ্-বাংলা ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠা পায় সাহাবুদ্দিন আহমেদের পরিবার ও নেদারল্যান্ডসের উন্নয়ন অর্থায়ন কোম্পানি এফএমওর যৌথ উদ্যোগে।
বর্তমানে সাহাবুদ্দিন আহমেদ এ এ হোল্ডিংসের অধীনে অন্তত ১০টি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। দুই ছেলে ও দুই মেয়ে পরিবারিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের বিভিন্ন পদে আছেন। তবে এই বনেদি পরিবারটি একেবারেই প্রচারবিমুখ; তাই এদের সম্পর্কে বেশি তথ্য পাওয়াও মুশকিল।

ঋণ ও আর্থিক চাপ
সাহাবুদ্দিন আহমেদের প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের পরিমাণ ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি বলে জানা গেছে। বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এসব ঋণ নেয়া হয়েছে। ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ওপর নিজের প্রভাব থাকায় সহজেই তিনি ঋণ পেয়েছেন। তবে এখন ঋণখেলাপি হওয়ার ঘটনা বাড়ছে, যেটা প্রমাণ হয়েছে ব্যাংক এশিয়ার মামলায়।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ব্যাংকটির মুনাফা নেমে এসেছে ৪৭৩ কোটিতে, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৪১ শতাংশ কম। খেলাপি ঋণের হারও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭ শতাংশে; যেখানে আগের বছর ছিল ৪ দশমিক ১ শতাংশ।
ভাড়া, কর, বীমা ও বিদ্যুৎ বাবদ ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪৫ কোটি টাকায়। জানা গেছে, এর বড় অংশই যাচ্ছে ভবন ভাড়ার খাতে।

চার বছরের চিত্র
ডাচ্-বাংলা ব্যাংক সূত্রেই জানা গেছে, ২০২০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ব্যাংকটির মোট আমানত ৩৬ হাজার ২৬১ কোটি ১০ লাখ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ হাজার ১৮৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। একই সময়ে মোট ঋণ ২৭ হাজার ৩৪৩ কোটি ৯৮ লাখ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪২ হাজার ৮৬৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। চলমান টেকসই ঋণ ১৩ হাজার ২০০ কোটি ৫১ লাখ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৮১ কোটি ৪১ লাখ টাকায় এবং মোট টেকসই প্রকল্প ৩৬৯ থেকে বেড়ে হয়েছে ২,৪২৭। সবুজ অর্থায়নও ৫০৩ কোটি ৫ লাখ টাকা থেকে উন্নীত হয়ে ৮৪৯ কোটি ৫৭ লাখ টাকা হয়েছে।
ওদিকে মোট শ্রেণীবদ্ধ ঋণের (এটাও খেলাপিঋণ) হার ২০২০ সালে ২.২০ শতাংশ থাকলেও ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.৭০ শতাংশে। এই সময়ের মধ্যে ব্যাংকের শাখার সংখ্যা ২০৮ থেকে বেড়ে ২৪২-এ উন্নীত হয়েছে। সৌরশক্তি-সমর্থিত শাখা ৩১ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৫। উপশাখার সংখ্যা ২০২০ সালে শূন্য থাকলেও ২০২৪ সালে তা দাঁড়িয়েছে ৩০৭-এ। এর মধ্যে সৌরশক্তি-সমর্থিত উপশাখা ২৬। তবে এটিএম বুথের সংখ্যা কমে ২০২০ সালের ৪ হাজার ৮৬২ থেকে ২০২৪ সালে নেমে এসেছে ৪ হাজার ১৫১-এ।

ডাচ্-বাংলা ব্যাংকে মোট হিসাবধারী গ্রাহকের সংখ্যা ২০২০ সালে ৮৩ লাখ ১৪ হাজার ৩২৭ জন থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৮ লাখ ৩ হাজার ৬৪৬ জনে। এর মধ্যে নারী হিসাবধারী ২৫ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৮ থেকে বেড়ে ২০২৪ সালে হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ৬৬০ জন। কর্মচারীর সংখ্যা ১০ হাজার ২২ জন থেকে বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৯৫৩। এর মধ্যে নারী কর্মচারীর সংখ্যা ৪১৮ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬২৪।
২০২৪ সালে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নিট মুনাফা হয়েছে ৪৭৩ কোটি ৪৮ লাখ টাকা; আর করপোরেট সামাজিক দায়িত্ব (CSR) কার্যক্রমে ব্যয় করা হয়েছে ৩৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
মহৎ উদ্যোগেও প্রশ্ন কেন
বিতর্কের মধ্যেও ডাচ্-বাংলা ব্যাংক দেশের আর্থিক খাতে উদ্ভাবনী সেবার অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত। দেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা ‘রকেট’ চালু করে তারা ব্যাংকিং খাতকে নতুন পর্যায়ে নিয়ে যায়। এটিএম বুথ বিস্তারের মাধ্যমে সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দিয়েছে সেবা। শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ হিসাব খোলা, শিক্ষাবৃত্তি প্রদানসহ নানা উদ্যোগ ব্যাংকটিকে সাধারণ মানুষের কাছে জনপ্রিয়, বিশ্বস্ত ও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
তবু কেন এমন বিতর্ক- এই প্রশ্ন তোলা হয় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ সগীর আহমদের কাছে। জবাবে পতাকানিউজকে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা আগে ভাড়া ছিলাম, এখন কিনে নিচ্ছি। এতে ক্ষতি নেই। এটা তো কোথাও উল্লেখ করার নিয়ম নেই যে, ভবন ভাড়া নাকি নিজস্ব।’ সাবেক চেয়ারম্যানদের শেয়ার জব্দের প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ‘এটি বিচারাধীন বিষয়’ বলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
পতাকানিউজ/এনটি/টিআর

