যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মারা গেছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আইআরএনএ’র খবরে নিশ্চিত করা হয়েছে।
আইআরএনএ জানায়, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় নিজের কার্যালয়ে নিহত হন আলী খামেনি।
এদিকে তার মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাতদিনের সরকারি ছুটিও ঘোষণা করা হয়েছে
অপরদিকে খামেনির মেয়ে, জামাতা এবং নাতনিও নিহত হয়েছেন।
খামেনির নিহত হওয়ার খবর জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘খামেনি, ইতিহাসের অন্যতম নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের একজন, মারা গেছেন।’
রয়টার্সের প্রতিবেদনের তথ্য, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গতকাল শনিবার সকালে তেহরানে নিজ কার্যালয়ে হামলায় নিহত হয়েছেন।
১৯৮৯ সাল থেকে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্বে থাকা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তি। তিনি দেশটির রাষ্ট্রপ্রধান এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। জাতীয় পুলিশ এবং নৈতিকতা পুলিশের (মোরালিটি পুলিশ) ওপরও তার কর্তৃত্ব রয়েছে।
খামেনি ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নিয়ন্ত্রণ করেন, যারা দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে। এছাড়াও এর স্বেচ্ছাসেবী শাখা বাসিজ রেজিস্ট্যান্স ফোর্সও তার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে— যা মূলত ইরানে যেকোনো ধরনের ভিন্নমত বা বিক্ষোভ দমনে ব্যবহার করা হয়।
বিবিসি-
পতাকানিউজ/আরবি

