ইরানের টানা কয়েক সপ্তাহের স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতিমধ্যে ইউএসএস ত্রিপোলি জাহাজে করে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ অতিরিক্ত সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছে। তাদের সঙ্গে রয়েছে পরিবহন ও স্ট্রাইক ফাইটার বিমানসহ উভচর হামলা (জল এবং স্থল অভিযান) এবং কৌশলগত সামরিক সরঞ্জাম। রবিবার, ২৯ মার্চ মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে এমন এক সময়ে এসব সেনা মোতায়েন করা হলো যখন ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আলোচনা চলছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার সেনাকে জড়ো করা হয়েছে। আর এসব সেনাকে দিয়ে কয়েক সপ্তাহব্যাপী ইরানে স্থল হামলা চালানো হতে পারে। তবে এটি অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো হবে না।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কর্মকর্তা বলেছেন, এ স্থল হামলা অন্য সাধারণ স্থল হামলার মতো হবে না। এর বদলে ইরানে স্পেশাল ফোর্স এবং কামান সেনারা রেইড দেবে।
তবে এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা ড্রোন, মিসাইল এবং গুলির মুখে পড়তে পারেন বলে সতর্কতা দিয়েছেন এ কর্মকর্তারা।
সংবাদমাধ্যমটিকে হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, ‘প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ হলো প্রস্তুতি নেয়া। যেন কমান্ডার ইন চিফ (প্রেসিডেন্ট) সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে পারেন। পরিকল্পনা করার অর্থ নয় যে, প্রেসিডেন্ট ইতিমধ্যে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন।’
এদিকে স্থল হামলার সম্ভাব্য স্থান হিসেবে খার্গ দ্বীপকে বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এটি হরমুজ প্রণালীর কাছে অবস্থিত একটি দ্বীপ। যেখান থেকে ইরান তাদের ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল রপ্তানি করে। হরমুজ দিয়ে যেন নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল করতে পারে সেটি নিশ্চিত করতে এ দ্বীপটি টার্গেট করা হতে পারে।
পতাকানিউজ

