এআই প্রযুক্তি এবার হানা দিয়েছে মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে। শুরু হচ্ছে প্রযুক্তির বির্পযয়। রাজনীতিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ছবি বা ভিডিও বানিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিও এখন মার্কিন মধ্যমেয়াদি নির্বাচনে ব্যবহার হতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এই প্রযুক্তি জনগণের বিশ্বাস ক্ষুণ্ণ করতে পারে এবং ভোটারদের সত্য ও কৃত্রিম তথ্য চিহ্নিত করার ক্ষমতা হ্রাস করবে।
ডিপফেকের বিস্তার
সম্প্রতি রাজনৈতিক প্রচারণায় উভয় প্রধান রাজনৈতিক দলই জেনারেটিভ এআই ব্যবহার শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, এ ধরনের ভিডিও এবং ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট ভোটারদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং নির্বাচনের স্বচ্ছতার উপর প্রশ্ন তুলতে পারে।
ডিপফেক প্রযুক্তি এমনভাবে তৈরি করা হচ্ছে যে, প্রচলিত ভিডিও এবং অডিওর সঙ্গে মিলে যায়। সাধারণত, কৃত্রিম কন্টেন্ট প্রায় প্রকৃত কন্টেটের মতোই অবিকল দেখাচ্ছে। ফলে সাধারণ মানুষ কৃত্রিম এবং বাস্তবের মধ্যে পার্থক্য করতে পারছেন না।
এআই ও রাজনৈতিক যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিদ্যমান আইন এবং নীতি এখনও এই নতুন প্রযুক্তিকে নিয়ন্ত্রণে সক্ষম নয়। তারা বলছেন, নির্বাচন সংক্রান্ত কনটেন্টে এআই ব্যবহারের জন্য কঠোর নীতি প্রণয়ন করা প্রয়োজন।
বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, আগামী নির্বাচনগুলোতে ডিপফেক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়লে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গভীর প্রভাব পড়তে পারে। ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানো, রাজনৈতিক মনোবল প্রভাবিত করা এবং প্রচারণার স্বচ্ছতা হ্রাস—সবই সম্ভব।
মার্কিন মিডিয়া এবং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো এই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। তারা বলছে, এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে এর নৈতিকতা এবং নিরাপত্তা নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
সূত্র : রয়টার্স
-পতাকানিউজ

