বগুড়ায় সদ্য ঘোষিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কমিটিতে কৃষকলীগের এক নেতা স্থান পাওয়ায় আলোচনা- সমালোচনা ঝড় বইছে। কিভাবে জেলা কৃষকলীগের সদস্য অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম কমিটিতে স্থান পেলো তা চলছে নানা হিসেব-নিকেশ। তবে জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সুলতান মাহমুদ জানিয়েছেন, ‘কৃষকলীগের সঙ্গে শহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে সংগঠন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’
জানা গেছে, ১ ডিসেম্বর রাত আটটায় এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম স্বাক্ষর করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ১১০ সদস্যের বগুড়া জেলার আহবায়ক কমিটি অনুমোদন করেন। কমিটিতে ৭৩ জন সদস্যর মধ্যে ৫০ নম্বর সদস্য হিসেবে অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলামকে অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে।
এই শহীদুল ইসলাম আগে জেলা কৃষকলীগের সদস্য ছিলেন। শহরের বিভিন্ন স্থানে তার প্যানাসাইন রয়েছে। তারপরও তিনি কিভাবে এনিসিপির পদ পেলেন তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বগুড়ার রাজনীতিতে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে অ্যাড. শহীদুলের ইসলামের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।
এ প্রসঙ্গে বগুড়া জেলা এনসিপির সদস্য সচিব সুলতান মাহমুদ জানান, কৃষকলীগের সঙ্গে শহিদুল ইসলামের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হলে সংগঠন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
পতাকানিউজ/পিএম/কেএস

