এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা। তিনি সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ না করেই জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। গত ২১ এপ্রিল নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি।
বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থান জামা লুসাই। তিনি বলেন ‘পদত্যাগ করেননি মাধবী মারমা। তিনি বিএনপি থেকে মহিলা এমপি হিসেবে মনোনীত হয়ে বাছাইয়ে টিকে গেছেন।’
সদস্য থাকা অবস্থায় মনোনয়ন জমা দিতে পারেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন ‘মৌখিক ভাবে বলেছে হার্ডকপি এখনও হাতে আসেনি। হয়ত অনলাইনে আসছে মনে হয়।’
এ বিষয়ে জানতে মাধবী মারমার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন ১৯৮৯ এর ৭৪ ধারা ও দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ২১ ধারা অনুসারে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ পাবলিক সার্ভেন্ট। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর 12c অনুসারে প্রজাতন্ত্র বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের কোন লাভজনক পদে কর্মরত থাকা সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হবার অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
এর আগে গত ২০ এপ্রিল মাধবী মার্মাকে তিন পার্বত্য জেলার সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেয়ার পর বান্দরবানে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। দলীয় কোন পদে না থেকে মনোনয়ন পাওয়ায় নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়।
প্রসঙ্গত, মাধবী মার্মা ২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সহকারী আইন কর্মকর্তা (এপিপি) ছিলেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে তিনি জেলা পরিষদ এর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পান। যা এখনও তিনি পালন করছেন।
পতাকানিউজ/আরআর/আরবি

