কুয়াশার সঙ্গে কনকনে ঠান্ডা। এরপরও থেমে নেই বাজার-সদাই। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যে করতে হবে কেনাকাটা। ভোরের আলো ফোটার পর থেকে শুরু হয়ে ১২টার মধ্যে শেষ হয়ে যায় বাজার। এ সময়ের মধ্যেই বিক্রি লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়।
এ বাজারের অবস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা ইউনিয়নের কুন্ডা গ্রামে। এটি চকবাজার নামে সবার কাছে পরিচিত। কুন্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠের একপাশে বসে শখানেক নানারকম পণ্যের দোকান।
সরজমিন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্যস্ত ক্রেতা, বিক্রেতা। কি নেই বাজারে। সবজি, শুঁটকি, মুদি পণ্য, পান-সুপারি, কাপড়-চোপড়, মুড়ি-মুড়কির দোকানের পসরা মাঠের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে। পাশেই মাছের নির্ধারিত বাজার। ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাজারটি কুন্ডাসহ আশেপাশের গ্রামের মানুষের ভরসা। নারী-পুরুষসহ সবাই এখানে আসেন। সব পণ্যই এখানে খুচরা হিসেবে বিক্রি করা হয়।
প্রায় ২৫ বছর ধরে এ বাজারে পান বিক্রি করেন বৃদ্ধ আবদুস সোবাহান। এখন নিয়মিত ছেলেরা বসেন। কথা হয় আবদুস সোবাহানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বাজারটি চকবাজার নামে পরিচিত। খুচরা বিক্রি চলে এখানে। কয়েকঘণ্টার মধ্যে বাজার শেষও হয়ে যায়।’
মুদি দোকানি জলিল খান বলেন, ‘সাত সকালেই আমরা আসি। বেলা ১২টার মধ্যে আবার চলে যাই। এর মধ্যেই ক্রেতারা আসেন।’
সবজি বাড়ি ফেরার পথে কথা হয় মো. বোরহানের সঙ্গে। তিনি জানান, ‘এর আগেও এসে সদাই করেছেন। এখন বাধাকপি প্রয়োজন পড়ায় আবার এলেন।
দেওয়ান মুহু মিয়া বলেন, ‘বাড়ির কাছেই বাজার। যখন যেটা দরকার মনে হয় নিতে আসেন। সকাল থেকে বসা এ বাজার দুপুরের আগেই শেষ হয়ে যায়।’
পতাকানিউজ/বিপিবি/আরবি

