চন্দনাইশের বাগানে পেয়ারার আবাদ কমছে, অন্যদিকে নানা রোগবালাই এবং কৃষি বিভাগের পর্যাপ্ত সহযোগিতা না পাওয়ায় ক্রমেই আগ্রহ হারাচ্ছেন কৃষকরা।
পেয়ারা উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, দেশের মোট পেয়ারার ১৭ শতাংশই উৎপাদিত হয় চট্টগ্রামে। পুষ্টিকর ও ঔষধি গুণসম্পন্ন এই ফল বিক্রির জন্য গড়ে ওঠা চন্দনাইশের বাজার পরিচিতি পেয়েছে সারাদেশে। কিন্তু পাহাড় কেটে মৎস্য খামার, হাইব্রিড জাতের বিভিন্ন ফলের বাগান এবং ইটভাটার কারণে ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে পেয়ারা বাগানের সংখ্যা।
ফলন কমছে বলেও দাবি করছেন স্থানীয় চাষিরা। চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী— ২০২২ সালে প্রায় ৭৫০ হেক্টর জমিতে পেয়ারা চাষ হয়েছিল। ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৫৫ হেক্টর। কিন্তু ২০২৪ সালে কমে হয় ৭৩০ হেক্টর। আর চলতি বছর পেয়ারার আবাদ নেমে এসেছে ৭২০ হেক্টরে।

