বিশ্বের নজর এখন কাতারের দিকে, যেখানে ৯ সেপ্টেম্বর ইসরাইলের হামলায় অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এই হামলার পর সৌদি আরব, পাকিস্তানসহ অন্যান্য আরব এবং ইসলামিক দেশগুলো তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং নিজ দেশের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দিকে মনোযোগী হয়েছে।
এখন সৌদি আরব পাকিস্তানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তিটি অনুযায়ী, সৌদি আরব বা পাকিস্তানের ওপর কোনো আক্রমণ হলে, তা উভয়ের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে। এর মাধ্যমে দু দেশের মধ্যে যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।
সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ রিয়াদে এক বৈঠকে চুক্তিটি নিয়ে আলোচনা করেন। তারা একে “ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব” হিসেবে উল্লেখ করেন, যা কেবল দুটি দেশের নিরাপত্তা নয়, বরং গোটা অঞ্চলের শান্তি এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
সৌদি কর্মকর্তারা বলেন, এই চুক্তি কোনো নির্দিষ্ট দেশের জন্য নয়, বরং দুই দেশের দীর্ঘকালীন সম্পর্কের ফলস্বরূপ এসেছে।

