বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার পর তার নিরাপত্তায় কাজ শুরু করেছে সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)। মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর দুপুর ২টা ২০ মিনিট থেকে এসএসএফ সদস্যরা খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় কাজ শুরু করেন।
বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
এর আগে আজ সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় উপদেষ্টা পরিষদের এক বিশেষ বৈঠকে খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
এরপর যমুনার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত জানান পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।তিনি জানান, সভায় খালেদা জিয়ার বর্তমান শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় হাসপাতালে তার নির্বিঘ্ন চিকিৎসা, প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা, তার নিরাপত্তা ও যাতায়াতের সুবিধা এবং উচ্চ মর্যাদা বিবেচনায় তাকে রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (ভিভিআইপি) ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকরের জন্য সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এ বিষয়ে খালেদা জিয়ার পরিবার ও দল অবগত রয়েছে বলে জানান পরিকল্পনা উপদেষ্টা।
প্রসঙ্গত রবিবার, ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ৭৯ বছর বয়সী খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বুকে ‘সংক্রমণ’ ধরা পড়ায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসের পাশাপাশি কিডনি, লিভার, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।
খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় বাংলাদেশ, আমেরিকা ও ইউকের চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যৌথ মেডিকেল টিম আছে। এছাড়া দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সার্বক্ষণিক মায়ের চিকিৎসার তদারকি করছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ডা. ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এছাড়া তার চিকিৎসায় যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞ দল আগামীকাল বুধবার আসছেন বলে জানান তিনি।
পতাকানিউজ/আরবি

