বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘যারা জামায়াতে ইসলামীকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছিল তারাই আজ নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছে। তারা নিজেরা আজ পালিয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা পালায়নি।’
বুধবার, ১২ নভেম্বর সকালে ফেনীর দাগনভূঞা আতাতুর্ক স্কুল মার্কেট প্রাঙ্গণে জামায়াত ইসলামী দাগনভূঞা উপজেলা শাখা আয়োজিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ৬ নেতাকে শহীদ করা হয়েছিল। মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী সারাবিশ্বে ১শত স্কলারের একজন, তাকে পর্যন্ত শহীদ করা হয়েছিল। আমাদের মীর কাসেম আলী ভাই গ্রেপ্তারের পূর্বে আমেরিকায় ছিলেন। অনেকে আসতে নিষেধ করছিল। এরপরও তিনি চলে এসেছেন। ফাঁসির কাষ্ঠে গিয়েছেন। আমাদের মধ্যে দেশপ্রেম আছে। আমরা পালিয়ে যায়নি বরং আওয়ামী লীগ প্রকৃত স্বাধীনতা বিরোধী। তারা দেশের সম্পদ লুট ও পাচার করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদে ঐক্যমত পোষণ করলে বাস্তবায়নের সমস্যা কোথায়? নির্বাচন পিছিয়ে গেলে ওই দলটাই দায়ী থাকবে। গণভোট এখনই আয়োজন করেন। আমরা নির্বাচন চাই না, এটা যারা বলে তারা মিথ্যা কথা বলে, আপনি জুলাই সনদে বিশ্বাস করে স্বাক্ষর দিয়েছেন, গণভোটে কেন রাজি হচ্ছেন না? ডাল মে কুচ কালা হ্যায়। ক্ষমতায় গিয়ে এগুলো মানবেন না, দেশকে আবার পিছনের দিকে নিয়ে যেতে চান?’
দাগনভূঞা উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির গাজী সালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন মজলিসে শুরা সদস্য ও ফেনী-২ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঞা, ফেনী জেলা জামায়াত ইসলামীর আমির মুফতি আবদুল হান্নান, ফেনী-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. মো. ফখরুদ্দিন মানিক, কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য মেজবাহ উদ্দিন সাঈদ।

দাগনভূঞা পৌর জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াত ইসলামী সাবেক আমির এস এম নূর নবী দুলাল, জামায়াত নেতা ইঞ্জিনিয়ার ফখরুদ্দিন, আবু সিদ্দিক মানিক ও কামাল হোসেন প্রমুখ।

পথসভা শেষে দুপুরে এটিএম আজহারুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মরহুম মকবুল আহমদের কবর জিয়ারত করেন। ওই বাড়ির দরজায় আঞ্জুবের নেছা ইসলামী এডুকেশন কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এছাড়া বিকেলে ফেনী কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফেনী জেলা জামায়াতের জনসভায় অংশ নেবেন।
পতাকানিউজ/এএএম/এমওয়াই

