চকরিয়ায় কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক এবং পেকুয়ায় যাত্রীবাহী বাসের মধ্যে পৃথক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন শিশু নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি জব্দ করেছে।
সকাল আটটায় চকরিয়া-মগনামা সড়কের আন্নরআলী মাতব্বর পাড়ায় প্রথম দুর্ঘটনা ঘটে। এতে তাহাসিন (২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়। তার বাবার নাম আবদুল হক। একই দুর্ঘটনায় শিশুর মা আনারকলি গুরুতর আহত হয়েছেন।
হতাহতের পরিবারের সদস্যদের ভাষ্যমতে, তারা কক্সবাজারের ঈদগাঁও পালাকাটা এলাকার বাড়ি থেকে নানার বাড়ি কুতুবদিয়ায় যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সিএনজিটির সংঘর্ষ হয়। সিএনজিতে থাকা আরও তিন শিশুসহ মোট সাতজন আহত হন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান করছেন।
দুর্ঘটনায় হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আলম। তিনি জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় হতাহতদের উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া দ্বিতীয় দুর্ঘটনা ঘটে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায়। ওই সময় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহণের একটি বাস ও পিকআপ (মিনি ট্রাক) এর মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে চকরিয়া উপজেলার জাইল্ল্যার ঢালা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এতে মারসা পরিবহনের দুই যাত্রী আহত হয়েছে। আহতরা চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি চিরিংগা হাইওয়ে থানার ওসি মো. আরিফুল আমিন।
তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে কক্সবাজারমুখি মারসা পরিবহণের একটি যাত্রীবাহি বাস ও চট্টগ্রামমুখি পিকআপ (মিনি ট্রাক) এর মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এসময় দুই গাড়ি মহাসড়কের দুই পাশে ছিটকে পড়ে। এতে মারসা পরিবহণের দুই যাত্রী আহত হয় বলে জেনেছি। কিন্তু পুলিশ যাওয়ার আগে আহতদের চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়ায় তাদেও পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
তিনি আরও বলেন, দূর্ঘটনা কবলিত গাড়ি দুটি জব্দ করা হাইওয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। দুই গাড়ির চালক-হেলপার পলাতক রয়েছে।
-পতাকানিউজ/এমজেসি

