কক্সবাজারের চকরিয়ায় তিন সাংবাদিকের ওপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ঘটনার তদন্তপূর্বক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টায় চকরিয়া পৌরশহরের নিউমার্কেট এলাকায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম আর মাহমুদ, সাংবাদিক এম মনছুর রানা ও পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো.ছফওয়ানুল করিম।
পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মো.ছফওয়ানুল করিম বলেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের এলাকায় কোন ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড চলতে দেয়া হবে না। পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলা মেনে নেয়া হবে না। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চকরিয়া থানার ওসিকে অপরাধী নাজেম উদ্দিনসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হবে।’ ঘটনার তদন্তপূর্বক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
বক্তারা বলেন, ‘হারবাং ইউনিয়নের ইয়াছড়ি খালসহ বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাহারায় থেকে মাটি পাচারসহ নানা অবৈধ কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে নাজেদ উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী। স্থানীয় লোকজন এদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করারও সাহস পাচ্ছে না।’
বক্তারা আরও বলেন, ‘ঘটনার তিনদিন পার হয়ে গেলেও সন্ত্রাসীদের কাউকে আটক করেনি প্রশাসন। এমনকি অবৈধ বালু উত্তোলনও থেমে নেই।’ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান তারা।
অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক এম.ওমর আলী, আবদুল মজিদ, এসএম হানিফ, সাইফুল ইসলাম খোকন, মিজবাউল হক, বেলাল উদ্দিন বেলাল, মোহাম্মদ উল্লাহ, মোহাম্মদ ফারুক, মোহাম্মদ দিদার, নেজাম উদ্দিন, চকরিয়া রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি মুকুল কান্তি দাশ, বিএম হাবিব উল্লাহ, সাইফুল ইসলাম সাঈফ, ইউসুফ বিন হোসাইন, রাজু দাশ, আলাউদ্দিন আলো ও মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত ২২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে হারবাং ইছাছড়ি খাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের খবরে ঘটনাস্থলে যায় সাংবাদিক ছোটন কান্তি নাথ, ইকবাল ফারুক ও এম জিয়াবুল হক। এসময় নাজেম উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী তাদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় জিয়াবুলের ডান হাত ভেঙ্গে যায়, ছোটন ও ইকবালের মাথায় ও হাতে গুরুতর জখম হয়।
পতাকানিউজ/এমজেসি/আরবি

