চট্টগ্রাম মহানগরীর হালিশহরের একটি বাসায় জমে থাকা গ্যাস বিস্ফোরণে ৯ জন দগ্ধের ঘটনায় বাড়ছে মৃত্যু। এ নিয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সাখাওয়াত হোসেন মারা যান।
এর আগে মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি রাতে শাখাওয়াতের ছোট ভাই সামির আহমেদ সুমনের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি মারা যান।
একইদিন সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে সামির আহমেদ সুমন মারা ও সকাল সোয়া ৭টায় মারা যান মো. শাওন (১৬)। তারা দুজন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এর আগে, ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা নেয়ার পথে বিকেল সাড়ে ৪টায় রানি আকতার কুমিল্লায় মারা যান। তার শরীরের ১০০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় দগ্ধদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়।
এ ঘটনায় আরও চারজন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন আছেন।
প্রসঙ্গত, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি ভোরে নগরীর হালিশহরের এইচ ব্লকের এসি মসজিদ–সংলগ্ন হালিমা মঞ্জিল নামের ছয়তলা ভবনের ৩য় তলার একটি বাসায় হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে। এসময় ঘরে থাকা ৯ জন দগ্ধ হয়। পরে দগ্ধদের উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে থেকে সন্ধ্যায় নেয়া হয় ঢাকায়।
পতাকানিউজ/আরবি

