চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) বিভিন্ন থানার ১৬ মামলার আসামি মুরাদ বাহিনীর প্রধান মো. মুরাদকে গ্রেপ্তার করেছে বাকলিয়া থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে পটিয়া উপজেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে বাকলিয়া থানা পুলিশ। এসময় তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. মুরাদ (৪৩), সুমন (৩৫) ও রুহুল আমিন।
গ্রেপ্তার মুরাদ নোয়াখালীর হাতিয়ায় উপজেলার বাসিন্দা হলেও দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম নগরীর পশ্চিম বাকলিয়া এলাকায় মাদক ব্যবসায় জড়িত। তাকে সবাই ‘ইয়াবা মুরাদ’ নামে চেনেন। কে বি আমান আলী রোডে বিসমিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ নামে তার একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মূলত সেখান থেকে মাদক বেচাকেনা করা হয়। মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে তার নিজস্ব কিশোর গ্যাং রয়েছে।
এছাড়া নিজেকে তিনি চান্দগাঁও থানা যুবদলের সংগঠক হিসেবে পরিচয় দেন। তবে তার দলীয় কোনো পদ-পদবী নেই। মহানগরের এক যুবদল নেতার সঙ্গে বর্তমানে তার বেশ সখ্যতা গড়ে উঠেছে। ওই যুবদল নেতার আশ্রয়-প্রশ্রয়ে মুরাদ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। মুরাদের ফেসবুকে ওই যুবদল নেতার সঙ্গে বিভিন্ন কর্মসূচির ছবি ও ভিডিও সামনের সারিতে ছিলেন মুরাদ।
এদিকে মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে মো. মুরাদ যুবদল কেউ নয় জানিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে বাকলিয়া থানার সৈয়দ শাহ রোডের মোরশেদ টাওয়ার সামনে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মুরাদ ও জসিমের মধ্যে সংঘর্ষে বাধে। এসময় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। এছাড়া সিএনজি অটোরিক্সার গ্লাস ভাঙচুর এবং ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় জসিমসহ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
বাকলিয়া থানার ওসি শাহিনুর আলম বলেন, গোপন সংবাদে পটিয়া থেকে মুরাদ বাহিনীর প্রধান মুরাদকে দুই সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রয়েছে।
ওসি জানান, গ্রেপ্তার মুরাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৬ মামলা রয়েছে।
পতাকানিউজ/আরবি

