চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর পুলিশ-র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। এতে অংশ নিয়েছে প্রায় ২ হাজার আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য।
সোমবার, ৯ মার্চ ভোরে এ অভিযান শুরু হয়। এ অভিযান সকাল ১০টা পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জঙ্গলসলিমপুরে অস্ত্রধারী এবং সন্ত্রাসী ধরতে এ অভিযান পরিচালত হচ্ছে। রাষ্ট্রের ভেতর রাষ্ট্র থাকতে দেয়া হবে না। সেখানে ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
সর্বশেষ তথ্য মতে, অভিযানে বেশ কয়েজনককে আটক করা এবং অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে সমন্বিতভাবে বিষয়টি জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে অভিযান সফল বলেও দাবি করা হয়।
এর আগে ২০ জানুয়ারি, সোমবার, সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে অস্ত্র উদ্ধারের অভিযান চালাতে গিয়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় র্যাব কর্মকর্তা আব্দুল মোতালেব নিহত হন। এ ঘটনায় আরও তিনজন র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন।
হামলার একটি ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে কালো জ্যাকেট পরা র্যাব সদস্যরা অভিযানে গেলে মাইকে ঘোষণা দিয়ে কয়েকশ মানুষ জড়ো হয়। এরপর সংঘবদ্ধভাবে র্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয় এবং মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।
এরপর ২০ জানুয়ারি, মঙ্গলবার দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল বলেন, জড়িতদের গ্রেপ্তারে শিগগির সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হবে।
একইদিন দুপুরে জঙ্গল সলিমপুর সন্ত্রাসীদের আড্ডাখানায় পরিণত হয়েছে। শীঘ্রই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এখানে যারা অবৈধভাবে বসবাস করছেন, অবৈধ অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আছে তাদেরকে আমরা নিমূর্ল করব এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের এ আস্তানা ভেঙেচুরে গুড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানান র্যাব মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান এ কথা বলেন।
পরে ২১ জানুয়ারি, বুধবার রাতে র্যাব-৭ এর ডিএডি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় এ ঘটনায় হত্যা মামলা করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পতাকানিউজ/আরবি

