কপাল পুড়েছে চট্টগ্রাম-৯ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. এ কে এম ফজলুল হকের। দ্বৈত নাগরিকত্বের কারণে তিনি এবার আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশ নিতে পারছেন না। এর আগে এ কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। এরপর তিনি আপিল করেন। কিন্তু তার আপিল নামঞ্জুর করা হয়।
সোমবার, ১২ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে ফজলুল হকের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারছেন না।
এর আগে গত ৪ জানুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় এ কে এম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন।
জামায়াতের প্রার্থী এ কে এম ফজলুল হক রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দেয়া হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা উল্লেখ করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন। গত ২৮ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন বলে হলফনামায় উল্লেখ করেন তিনি। তবে ওইদিন মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় তার সপক্ষে কোনো নথিপত্র দেয়া হয়নি এবং দেখাতে পারেননি।
ওইদিন জামায়াত প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হক আপিল করবেন বলে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমি গত ২৮ ডিসেম্বর ইউএস অ্যাম্বেসিতে আমার দ্বৈত নাগরিকত্ব বাতিলে আবেদন জমা দিয়েছি এবং তারা আমাকের আগামী ৫ জানুয়ারি অ্যাপয়নমেন্ট দিয়েছে। সেখানে আমি তাদের পাসপোর্ট, সিনিজেন সার্টিফিকেট এবং সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ডসহ নিয়ে গেলে তারা এসব গ্রহণ করে আমাকে সার্টিফিকেট দিবে। এরপর আমি আপিল করব। আশা করি আমার সবকিছু ফুল ফিলাপ হয়ে গেলে আমার প্রার্থীতা বহাল হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ।’
এদিকে একইদিন আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
প্রসঙ্গত, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল জমা পড়ে। শনিবার থেকে শুরু হওয়া শুনানি চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
পতাকানিউজ/আরবি

