সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় হাই কোর্ট থেকে জামিন পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ তার জামিন মঞ্জুর করেন। তবে দুদকের আরেক মামলায় গ্রেপ্তার থাকায় এখনই তার মুক্তি মিলছে না।
জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আনিস আলমগীরের আইনজীবী তামান্না ফেরদৌস। তিনি বলেন, ‘উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেছেন। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় রুল জারি করা হয়েছিল, আজ সেই রুলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
জামিন হলেও আনিস আলমগীর এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে দুদকের আরেকটি মামলা রয়েছে। তাই তিনি এখনই মুক্তি পাচ্ছেন না। ওই মামলায় তাকে শোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার) দেখানো হয়েছে। দুদকের মামলাটিও আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় এগিয়ে নিচ্ছি।’
গত ১৪ ডিসেম্বর রাত ৮টায় গোয়েন্দা পুলিশ সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা বলে ডিবি কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর মধ্যরাতে ‘জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংগঠনের সদস্য আরিয়ান আহমেদ ‘রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা নষ্টের ষড়যন্ত্র এবং নিষিদ্ধ সংগঠনকে উসকে দেওয়ার’ অভিযোগে আনিস আলমগীরসহ চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এ মামলা করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন—অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, মারিয়া কিসপট্টা (ফ্যাশন মডেল) ও ইমতু রাতিশ ইমতিয়াজ (উপস্থাপক)।
এ মামলায় আনিস আলমগীরের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ড শেষে ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই আটক রয়েছেন।
সর্বশেষ গত ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত আনিস আলমগীরের জামিন নামঞ্জুর করলে তার আইনজীবী হাই কোর্টে আবেদন করেন।
এর মধ্যে গত ১৫ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ২৮ জানুয়ারি দুদকের আবেদনে আদালত তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়।
পতাকানিউজ/আরবি

