বগুড়ায় জুলাই যোদ্ধা ফরহাদ হোসেনের (৪০) ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বগুড়ার সদর উপজেলা এরুলিয়ার ইউনিয়নের বানদিঘী পশ্চিমপাড়া এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
ফরহাদ হোসেন সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক ও জুলাই যোদ্ধা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ফরহাদ হোসেনের ওপর এ হামলা চালানো হয়। সন্ত্রাসীরা লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে মারধর করে। এতে তার বাম হাত ভেঙে যায়। বর্তমানে তিনি শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘প্রতিবেশি প্রবাসীর ছেলে সৌরভকে মাদকসেবীদের সঙ্গে মেলামেশা না করতে নিষেধ করায় তিনি পরিকল্পিত হামলার শিকার হন। এসময় তার পকেটে থাকা প্রায় ৩৪ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারীরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘সৌরভ কিছুদিন আগে বিয়ে করেছে। সে এলাকায় চিহ্নিত মাদকসেবীদের সঙ্গে চলাফেরা করত। একপর্যায়ে নেশার টাকার জন্য ঘরের জিনিসপত্র বিক্রি করতে শুরু করে। এ বিষয়ে তার মা আমাকে জানালে আমি বিষয়টি নিয়ে ২ দিন আগে সৌরভ ও সেলিম নামের আরেকজনকে সতর্ক করি। তখন হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্যবসার মালামাল কিনে ফেরার পথে আগে থেকে ওত পেতে থাকা তিন-চারজন সন্ত্রাসী আমার ওপর হামলা চালায়।’
এ বিষয়ে ইউনিয়ন জামায়াতের সহসাধারণ সম্পাদক শাফিউল আলম শাখিল বলেন, জুলাই- আগস্টের আন্দোলনে ফরহাদ হোসেন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তবে, এ হামলা পরিকল্পিত। সেলিম একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে মাদক ও জুয়ার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। আমরা ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি করছি।’
অভিযুক্ত সেলিমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার ওসি হাসান বাসির বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদকসেবী এবং ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আমরা সব সময় তৎপর রয়েছি।’
পতাকানিউজ/পিএম/এমওয়াই

