মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ বাড়ছে। নতুন সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যমান মজুদ দিয়েই পরিস্থিতি সামাল দিতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। এ প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সাশ্রয়ে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা করছে সরকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, ওয়ার্ক ফ্রম হোম চালু করা এবং অফিস সময়সূচি পরিবর্তনের মতো বিকল্প পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা চলছে। যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে প্রস্তাবগুলো শিগগিরই মন্ত্রিসভা বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে।
জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সব সরকারি দপ্তর ও সংস্থাকে নিজস্ব প্রস্তাব তৈরি করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আংশিকভাবে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়টিও সরকারের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে।
এর মধ্যে সরকারি দপ্তরগুলোতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করতে ১১ দফা নির্দেশনা জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
রোববার মন্ত্রণালয় থেকে বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, এর আগে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত নিজ নিজ অফিস কক্ষে বাধ্যতামূলকভাবে অবস্থান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় এবং দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছিল। তবে নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যত্যয়ের বিষয়টি নজরে আসায় তা কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সার্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে চাপ কমাতে সরকারি কার্যক্রমে সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণের দিকেই এগোচ্ছে সরকার বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
-পতাকানিউজ

