পৃথিবীতে হাজারো আবিষ্কার আছে, তার অন্যতম এই উড়োজাহাজ। ১৯০৩ সালে আমেরিকার রাইট ভাতৃদ্বয় মানব সভ্যতার উৎকর্ষতায় যে অনন্য যাত্রা শুরু করেছিলেন তারই ধারাবাহিকতায় অত্যাধুনিক সব আকাশযান আজ বিশ্বশাসনের প্রধানতম নিয়ামক হয়ে ওঠেছে। তবে উন্নত বিশ্বে এ খাতে যে অগ্রযাত্রা তা থেকে যেন যোজন যোজন মাইল পিছিয়ে আমাদের প্রিয় এই বাংলাদেশ।
ঠিক এমন এক বাস্তবতায় শত শত উড়োজাহাজের নমুনা ও ড্রোন বানিয়ে রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছেন চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার প্রত্যন্ত এক গ্রামের তরুণ আশির উদ্দিন। উপজেলার সর্ব দক্ষিণের ইউনিয়ন পুইছড়ির অনগ্রসর এমন এক এলাকায় থেকে আধুনিক ড্রোন তৈরীর ল্যাব তৈরী করে বানিজ্যিক ভাবে উৎপাদনের কাজও শুরু করে দিয়েছেন তিনি।
২০১৫ সালে এসএসসি পাসের পর চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি পলিটেকনিক থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা শেষ করেন আশির। শখের বশে মোটর দিয়ে খেলনার নৌকা বানানো শুরু করার পর একদিন আকাশে উড়োজাহাজ দেখে মনের কোনে ছোট্ট এক বাসনা জাগে তার। পরে সে স্বপ্ন একদিন ডানা মেলে গ্রামবাসীকে অবাক করে আকাশে ওড়ে। সত্যিই সত্যিই আশির বানিয়ে ফেলেন তাক লাগানো এক আকাশযান।
এরপর একের পর এক অত্যাধুনিক উড়োজাহাজের নমুনা ও ড্রোন বানাতে শুরু করেন আশির। তাঁর তৈরি ড্রোন গোয়েন্দা নজরদারি ও যুদ্ধসহ নানা কাজে ব্যবহার করা সম্ভব বলে দাবী করেন তিনি ।

