ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে আগুনের ঘটনায় অন্তত আটটি ফ্লাইট চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে চারটি আন্তর্জাতিক এবং চারটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট রয়েছে। এতে বিদেশগামী যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এছাড়া বিদেশ যাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়েছে হাজারখানেক যাত্রী।
যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষা করেছি। আমাদের এখনও কোনো কিছুই জানানো হয়নি। ফ্লাইট বাতিল হলেও আমাদের কখন যেতে দিবে সে বিষয়েও কিছুই জানায়নি কর্তৃপক্ষ।’
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, ডাইভার্ট হওয়া আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ব্যাংকক থেকে ঢাকাগামী একটি ফ্লাইট ও এয়ার আরাবিয়ার মধ্যপ্রাচ্য থেকে ঢাকাগামী একটি ফ্লাইট রয়েছে। এছাড়া ইউএস-বাংলা ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের আরও দুটি করে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সন্ধ্যার পর চট্টগ্রামে অবতরণ করেছে। অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী দুটি ফ্লাইটও ঢাকায় অবতরণ করতে না পেরে ফিরে আসে চট্টগ্রামে। এসব ফ্লাইট বন্ধ হওয়ায় চট্টগ্রাম থেকে বিভিন্ন ফ্লাইটের যাত্রী চেক-ইন আপাতত বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘ঢাকার বিমানবন্দরের এয়ারফিল্ড আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বন্ধ থাকার কথা থাকলেও পরে সেটি রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এ পর্যন্ত মোট আটটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ডাইভার্ট হয়ে এসেছে।’ তবে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সব কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এদিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ৩৭ ইউনিট কাজ করছে। তবে আগুনে ক্ষয়ক্ষতি ও এর উৎস সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু এখনও জানানো হয়নি।
পতাকানিউজ /এএস/আরবি

