রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী ধোলাইপাড় এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে জহিরুল ইসলাম রাকিব (২০) নামে এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়। মৃত রাকিবের বাড়ি শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কাজীকান্দি গ্রামে। তার বাবার নাম সাইদুর রহমান।
যাত্রাবাড়ী থানা উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফরহাদ আলী জানান, খবর পেয়ে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে যাত্রাবাড়ী ধোলাইপাড় রোড আয়েশামনি আবাসিক হোটেলের দ্বিতীয় তলার ২০৬ নম্বর রুমের দরজা ভেঙে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। হোটেলের বিছানার চাদর দিয়ে ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ছিল সে। সে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
হোটেলটির ম্যানেজার জমির উদ্দিন জহির জানান, ১৪ই সেপ্টেম্বর দুপুর দেড়টার দিকে একাই ওই যুবক হোটেলে আসেন। এরপর ২০৬ নম্বর রুমটি ভাড়া নেয়। সেখানে দুইদিন থাকবে বলে জানায় সে। ১৬ তারিখ বেলা ১২ টার দিকে তাকে চেকআউটের জন্য হোটেল ম্যানেজার দরজায় কড়া নাড়লে ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাননি। পরবর্তীতে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে ভিতর থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
হোটেল ম্যানেজার আরও জানান, এ সময় পুলিশ রুমটি থেকে দুটি চিরকুট উদ্ধার করে।
একটিতে রাকিব লিখেছেন, ‘এ কাগজটা আমার মায়ের কাছে দেবেন। মা তুমি আমাকে মাফ করে দিও। তোমাদেরকে অনেক কষ্ট দিয়েছি। আমাকে মাফ করে দিও। আর পারলে একটু দোয়া কইরো, না পারলে বদদোয়া কইরো না।’ —ইতি, রাকিব।

অন্যটিতে মরদেহ পৌঁছানোর ঠিকানা ও নম্বর উল্লেখ করে লিখেছেন, ‘আমার লাশটা বাড়িয়ে পাঠিয়ে দিয়েন, আমার মায়ের কাছে।’ সেখানে তিনি চাচাত ভাই দিন ইসলামের নাম ও নম্বর উল্লেখ করেছেন।
পতাকানিউজ/এআই

