ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের প্রথম দিনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। বুধবার, ২৯ এপ্রিল সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আগামী এক বছরের জন্য নেতা নির্বাচনের জন্য ভোট দেন আইনজীবীরা। তবে ২০ হাজার ৭২৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন মাত্র ২ হাজার ৭৫৯ জন।
বিষয়টি নিশ্চত করেছেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ও রায়হান মোর্শেদ।
এদিকে বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিলও সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে।
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে প্রথম দিনে খুবই কম সংখ্যক ভোটার ভোট দিয়েছেন। বৈরী আবহাওয়া ও একটি পক্ষ নির্বাচন না করায় ভোটারের উপস্থিতি কম বলে ধারণা আইনজীবীদের।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে। আইনজীবীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন ‘
তবে এবারের নির্বাচনে আলোচিত দিক হলো আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা কোন প্যানেল দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ ছাড়াই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে একই প্যানেলে নির্বাচন করা বিএনপি ও জামায়াত পৃথক প্যানেল দিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এবারের আইনজীবী নেতা নির্বাচনে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা লড়ছেন ‘নীল প্যানেলে’ (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল)।
অপরদিকে, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন ‘সবুজ প্যানেলে’ (আইনজীবী ঐক্য পরিষদ)। প্রতিটি প্যানেল থেকে ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন এবং স্বতন্ত্র ৮ জনসহ মোট ৫৪ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিচ্ছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অনুষ্ঠিতব্য ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট ও বিজয়ের প্রত্যাশা করছে বিএনপিপন্থী নীল প্যানেল ও জামায়াত সমর্থিত সবুজ প্যানেল।
এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে সভাপতি পদে মোহাম্মদ ইউনুস আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক পদে বলাই চন্দ্র দেব ও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহসহ ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
পতাকানিউজ/এএ/আরবি

