ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। গত বুধবার ও আজ বৃহস্পতিবার প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আগামী এক বছরের জন্য নেতা নির্বাচনের জন্য ভোট দেন আইনজীবীরা। আগামীকাল শুক্রবার ভোট গণনা করা হবে।
এদিকে ২০ হাজার ৭২৭ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৭ হাজার ৬৯ জন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্বাচন কমিশনার রায়হান মোর্শেদ।
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ কার্যকরী কমিটির নির্বাচনে প্রথম দিনে ২ হাজার ৭৫৯ জন ও আজ দ্বিতীয় দিনে ৪ হাজার ৩১০ জন ভোটার ভোট প্রদান করেন।
তবে আওয়ামী লীগ সমর্থক প্যানেল নির্বাচন না করায় ভোটারের উপস্থিতি কম ছিল বলে ধারণা আইনজীবীদের।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মো. বোরহান উদ্দিন বলেছেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে।’
আইনজীবীরা তাদের ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩টি পদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে ভোট দিয়েছেন। এখন ভোট গণনার পালা।
এবার আওয়ামী লীগ সমর্থক আইনজীবীরা কোন প্যানেল দিতে পারেনি। তবে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে একই প্যানেলে নির্বাচন করা বিএনপি ও জামায়াত পৃথক প্যানেল দিয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে।
বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদ সমর্থিত আইনজীবীরা ‘নীল প্যানেলে’ (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঐক্য প্যানেল) ও জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমর্থিত আইনজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন ‘সবুজ প্যানেলে’ (আইনজীবী ঐক্য পরিষদ)। প্রতিটি প্যানেল থেকে ২৩ জন করে মোট ৪৬ জন এবং স্বতন্ত্র ৮ জনসহ মোট ৫৪ জন প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর অনুষ্ঠিত ঢাকা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে মোহাম্মদ ইউনুস আলী বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক পদে বলাই চন্দ্র দেব ও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহসহ ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বি।
পতাকানিউজ/এএ/আরবি

