দার্জিলিংয়ে অতিভারী বর্ষণের জেরে ভূমিধসে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৩ জন। শনিবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভূমিধসের ফলে বহু রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সেতু ধসে সিকিম ও কালিম্পংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
এছাড়া, আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় পর্যটকরা আটকা পড়েছেন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া চলতে থাকায় মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার রাতের বৃষ্টির পর দার্জিলিংয়ের মিরিক এলাকায় একটি লোহার সেতু ধসে পড়ে। এতে অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয় এবং আরও অনেকে আহত হন। সুখিয়া এলাকায় পৃথক একটি ভূমিধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জন।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, এখন পর্যন্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, তবে উদ্ধারকাজ চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। মিরিকের পাশাপাশি অন্যান্য এলাকায়ও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শুধু মানুষের জীবনই নয়, যোগাযোগ ব্যবস্থাও তছনছ হয়ে গেছে। তিস্তা নদীর জলস্তর বিপদসীমার ওপরে ওঠে যাওয়ায় জাতীয় সড়ক-১০ একেবারে তলিয়ে গেছে, যা সিকিম ও কালিম্পংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। দার্জিলিং শহরের সঙ্গেও যোগাযোগের পথ বন্ধ হয়ে গেছে। একই সঙ্গে, শিলিগুড়ি-মিরিক সড়কেও যোগাযোগের বিঘ্ন ঘটেছে, যা স্থানীয়দের এবং পর্যটকদের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

