প্রেমের টানে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন যুবক কবিরুল ইসলাম। কিন্তু বিধি বাম। এক ঘরে সময় কাটানো অবস্থায় এলাকাবাসী তাদের হাতেনাতে ধরে এরপর দুজনকে গাছের সঙ্গে শিকলে বেঁধে অমানবিক নির্যাতন করা হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার, ৪ মার্চ সকালে পাবনার ঈশ্বরদীত উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারী খড়েরদায়ের গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কাঠালপাড়া এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে কবিরুলের সঙ্গে একই গ্রামের সুমি খাতুন নামে এক তরুণীর পূর্ব পরিচয় ছিল।
অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও ওই তরুণীকে ঘিরে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার, ৩ মার্চ কোনো এক সময় কবিরুল ওই তরুণীর বাড়িতে আসেন এবং সেখানে রাত্রিযাপন করেন বলে দাবি করেন স্থানীয়া।
আজ সকালে ঘরের ভেতরে তাদের একসঙ্গে দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে এলাকাবাসী তাদের আটক করে। পরে উত্তেজিত জনতা তাদের দুজনকে গাছের সঙ্গে শিকলে বেঁধে মারধর করা হয়।
এ বিষয়ে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এর পাবনা জেলা মনিটরিং অফিসার কামাল আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, ‘এটি অমানবিক কাজ। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন না। একটি সভ্য রাষ্ট্রে এমন কাজ নিন্দনীয়। যারা এ কাজের সঙ্গে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত।’
জানতে চাইলে ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামানের বলেন, ‘ঘটনা জেনেছি। কিন্তু ঘটনাস্থল আমার এলাকায় না হওয়ায় বিষয়টি সদর থানাকে জানানো হয়েছে।’
পাবনা সদর থানার ওসি দুলাল হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।’
পতাকানিউজ/আরবি

