সিলেট টেস্টের প্রথম সকালটা আয়ারল্যান্ডের জন্য যতটা স্বস্তির, বাংলাদেশের জন্য ঠিক ততটাই হতাশার। তবে, মধ্যাহ্নভোজের বিরতিটা যেন আশীর্বাদ হয়ে এলো বাংলাদেশের জন্য। প্রথম সেশনে তিন-তিনটি ক্যাচ ফেলে হতাশায় ডোবা বাংলাদেশ লাঞ্চের পর প্রথম দুই ওভারে তুলে নিল জোড়া উইকেট। নাহিদ রানার ডেলিভারিতে টাইমিংয়ে গড়বড় করেন স্টার্লিং। ব্যাটের কানায় লেগে বল স্লিপে গেলে সেটি তালুবন্দি করেন সাদমান। ৬০ রানে থামে স্টার্লিংয়ের ইনিংস। এতে ভাঙে ৯৬ রানের জুটি।
পরের ওভারেই বল হাতে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন নতুন ব্যাটার হ্যারি টেক্টর (১)। আম্পায়ার প্রথমে আউট দেননি, তবে শান্তর রিভিউতে সিদ্ধান্ত বদলে যায়। ২৮ ওভারে আয়ারল্যান্ডের রান ৩ উইকেটে ৯৭। ক্রিজে ক্যাড কারমাইকেলের সঙ্গী কার্টিস ক্যাম্ফার।
টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামা বাংলাদেশ দিনের শুরুতেই প্রতিপক্ষকে চেপে ধরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু টানা তিন ওভারে তিনটি ক্যাচ ফেলে সেই সুযোগ হাতছাড়া করেন ফিল্ডাররা। দুবার জীবন পেয়ে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন পল স্টার্লিং। দেখেশুনে খেলার পাশাপাশি দ্রুত রান তুলতে থাকেন তিনি। হাসান মাহমুদকে চার মেরে স্টার্লিং তার টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি পূর্ণ করেন। মধ্যাহ্ন-বিরতির আগে স্টার্লিং-কারমাইকেলের জুটিতে এসেছে ৯৪ রান। দ্বিতীয় উইকেটে যা আয়ারল্যান্ডের সর্বোচ্চ। আগের সেরা ছিল ৭৫।
বেলা দেড়টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৪ রান করেছে আইরিশরা। ২৩ রান নিয়ে কার্টিস ক্যাম্পার ও ১০ রান নিয়ে লরকান অপরাজিত ছিলেন।
পতাকানিউজ/কেএস

