দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সর্বশেষ সমন্বয় অনুসারে বেড়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সমন্বয়কৃত এই দামে একই সঙ্গে বিক্রি হচ্ছে রুপাও।
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছিল। তখন ভরিতে ৩ হাজার ১৩৭ টাকা বৃদ্ধি করা হয়।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯৪৭ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫০৩ টাকায় এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫২ হাজার ১৪৫ টাকায়। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ১৪৬ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরি কমবেশি হতে পারে।
এর আগে, ৮ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সেই সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ২৬০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ১ লাখ ৮২ হাজার ৮১০ টাকায়, যা তখন দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল। ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছিল ১ লাখ ৭৪ হাজার ৫০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৫৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির দাম ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৪২ টাকা। এটি কার্যকর হয়েছিল ৯ সেপ্টেম্বর থেকে।
চলতি বছর দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য মোট ৫২ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৬ বার দাম বৃদ্ধি এবং ১৬ বার দাম কমানো হয়েছে। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬২ বার, যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো এবং ২৭ বার দাম কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দামের এই পরিবর্তনের পরও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮১১ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ২৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ১ হাজার ৭২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
পতাকানিউজ/এনটি

