চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মচারী পদে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। প্রাথমিক ভাবে নিয়োগের যাবতীয় নথিপত্র যাচাই করা হয়েছে।
বুধবার, ১৪ জানুয়ারি বেলা ১২টায় দিকে প্রশাসনিক ভবনে রেজিস্টারের কক্ষে যায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে তিন সদস্যের দলের নেতৃত্ব দেন দুদকের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম।
চবির রেজিস্ট্রার দপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় মোট ১১৩ জনের নিয়োগ অনুমোদন দেয়া হয়। এর মধ্যে ২১ জন শিক্ষক, ৩৭ জন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী, ৪৭ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এবং আটজন কর্মকর্তা রয়েছেন। এতে প্রভাষক পদে নিয়োগ পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) শামীম উদ্দিন খানের মেয়ে মহিরা খান ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরি স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সাইফুল ইসলামের ভাই মোহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম।
এদিকে এসব নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বেশ কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের (চাকসু) নেতারা। এছাড়া অনিয়মের অভিযোগে কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরাও।
অভিযান শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম বলেন, ‘উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহইয়া আখতারের আমলে গত দেড় বছরে প্রায় ২৫০ জনের মত নিয়োগ পেয়েছে। এ নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই আমাদের এ অভিযান।’
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় হওয়া নিয়োগের নথিপথ যাচাই করা হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেয়া হবে।
এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক শামীম উদ্দিন খান বলেন, ‘দুদক আমাদের কাগজপত্র পর্যালোচনা করছে। তবে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো অনিয়ম হয়েছে বলে মনে হয় না। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সমস্যা সমাধানে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
পতাকানিউজ/আরবি

