নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান—এমন তথ্য জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। রোববার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
পোস্টে বলা হয়, রোববার সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের বাসায় সৌজন্য সাক্ষাতে যান তারেক রহমান। বৈঠকের প্রায় আধা ঘণ্টা পর দেওয়া ওই পোস্টে শফিকুর রহমান জানান, আলোচনায় বিএনপি চেয়ারম্যান নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা এবং বিরোধী দলের কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সম্ভাব্য হামলা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি এ আশ্বাসকে স্বাগত জানিয়ে প্রত্যাশা করেন, দেশের কোনো নাগরিক যেন ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে না থাকেন।
জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে নির্বাচিত সরকারকে সহযোগিতা করার কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, একটি আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে তারা আপসহীন থাকবে। সরকারের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে সমর্থন থাকলেও জবাবদিহির প্রশ্নে প্রয়োজন অনুযায়ী সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে দলটি।
তিনি আরও লেখেন, তাদের লক্ষ্য সংঘাত নয়, বরং সংশোধন ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করা। দেশের মানুষ এমন একটি সংসদ প্রত্যাশা করে, যা নাগরিক অধিকার রক্ষা করবে এবং ন্যায়বিচার ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে রাষ্ট্রকে এগিয়ে নেবে।
ফেসবুক পোস্টে শফিকুর রহমান বিএনপির চেয়ারম্যানকে বাংলাদেশের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানান। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই সাক্ষাৎ জাতীয় রাজনীতিতে সংলাপ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা রয়েছে জামায়াতের। ১১-দলীয় জোটের সঙ্গে সমন্বয় করে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক শাসনের ভিত্তিতে সমৃদ্ধ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্র গঠনে দলটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।
-পতাকানিউজ

