‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা ২০২৬। বৃহস্পতিবার ২৬ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বইমেলার উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ তুলে দেবেন তিনি। মেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত।
আয়োজকরা জানায়, এবারের বইমেলায় অংশগ্রহণকারী মোট প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ৫৪৯টি। এর মধ্যে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ৮১টি এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশে ৪৬৮টি। মোট ইউনিট ১ হাজার ১৮টি।
গত বছর মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান ছিল ৭০৮টি এবং ইউনিট ছিল ১ হাজার ৮৪টি। এবারের মেলায় কমেছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা।
এবার মেলা চলবে ১৫ মার্চ পর্যন্ত। ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে মেলা। রাত সাড়ে ৮টার পর নতুন করে কেউ মেলাপ্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবেন না। আর ছুটির দিন বইমেলা সকাল ১১টা থেকে শুরু হয়ে চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।
বইমেলায় বাংলা একাডেমি ও অংশগ্রহণকারী অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ২৫ শতাংশ কমিশনে বই বিক্রি করবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নির্ধারিত কমিশনে বই বিক্রি করবে। বাংলা একাডেমির বই ও পত্রপত্রিকা বিক্রির জন্য মেলার দুই অংশেই স্টল থাকবে।
প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত মূল মঞ্চে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার এবং বিকেল ৪টা থেকে ৫টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। প্রতি শুক্র ও শনিবার বেলা ১১টা থেকে শিশুপ্রহর আয়োজন করা হবে। এছাড়া শিশুকিশোরদের জন্য চিত্রাঙ্কন, আবৃত্তি ও সংগীত প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে। নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের জন্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এদিকে মেলা উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে। রমনা কালীমন্দির সংলগ্ন এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে পুলিশ কন্ট্রোল রুম, র্যাবের স্ট্রাইকিং রিজার্ভ ফোর্সের অস্থায়ী ক্যাম্প এবং আনসার প্লাটুনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। এর পাশাপাশি দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ একটি ব্রেস্টফিডিং (মাতৃদুগ্ধ পান) কর্নার স্থাপন করেছে।
পতাকানিউজ/আরবি

