নোয়াখালীর হাতিয়া ও রামগতি উপজেলার সংযোগস্থল তেগাছিয়া বাজার এবং হাতিয়ার টাংকির ঘাট এলাকা থেকে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৬৭০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করেছে প্রশাসন। এছাড়া পাচারকালে ব্যবহৃত দুইটি ট্রাক আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আফসার সায়মা।
সুবর্ণচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ জানান, ‘অবৈধ সার পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৩২৭ বস্তা সার ও ৬৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় এবং তিনজনকে আটক করা হয়েছে। চট্টগ্রাম হয়ে মিয়ানমারে পাচারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়ায় পাচারচক্র এখন নোয়াখালীর উপকূলীয় অঞ্চলকে নতুন রুট হিসেবে ব্যবহার করছে।’
তিনি আরও জানান, ‘জব্দ হওয়া ৩৭০ বস্তা সার সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং বাকি ৩০০ বস্তা সার হাতিয়ার হরনি ইউনিয়ন পরিষদের গুদামে সংরক্ষণ করা হয়েছে। আটক ট্রাক দু’টি চরজব্বর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।’
সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাবেয়া আফসার সায়মা বলেন, ‘সরকারিভাবে উৎপাদিত ও আমদানি করা ভর্তুকিযুক্ত সার পাচারের কারণে কৃষক ও কৃষি অর্থনীতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়ছে। এতে সরকারের বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে, অন্যদিকে চোরাকারবারিরা অবৈধভাবে বাড়তি মুনাফা লুটে নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকা দিয়ে সাগরপথে এ ধরনের পাচার রোধে জনস্বার্থে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
অভিযানে হাতিয়া, রামগতি ও সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসনের পাশাপাশি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
পতাকানিউজ/এইচএএ/এএইচ

