পাবনার ঈশ্বরদীতে সরকারি কলেজ চত্বরে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ইট ছুরে মারা, ককটেল বিস্ফোরণ ও কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১১টায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় ছাত্রদলের অস্থায়ী একটি কার্যালয় ভাঙচুর করা হয়।
এদিকে ইটের আঘাতে ছাত্রদলের ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি খালিদ বিন পার্থিব, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, ছাত্রদল নেতা ইব্রাহিম হোসেন, অলিমসহ ৭-৮ জন আহত হয়েছে বলে দাবি করেছে কলেজ ছাত্রদল।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ইমরান হোসেন খান বলেন, আজ সকাল সাড়ে ১১টায় কলেজের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিল। হঠাৎ ১০০-১৫০ জন শিবির কর্মীরা বহিরাগতদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পাবনা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে নানারকম উস্কানি ও অশ্লীল স্লোগান দেয়াসহ মিছিল নিয়ে কলেজ চত্বরে প্রবেশ করে। এরপর ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়। এসময় কলেজ চত্বরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মারধর এবং কলেজ গেটের সামনে ছাত্রদলের একটি অস্থায়ী কার্যালয় ভাঙচুর করে।

প্রতিবাদে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এগিয়ে আসার চেষ্টা করলে শিবিরের নেতাকর্মীরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে ইটের টুকরো ছুড়ে মারে। এতে ছাত্রদলের ৮-১০ জন আহত হয়।
অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্র শিবিরে সভাপতি সজিব হাসান বলেন, ‘ঈশ্বরদী সরকারি কলেজে আমাদের পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ছিল। এজন্য কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে আমরা অনুমতি নিয়েছি এবং পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছি। সকাল সাড়ে ১১টায় বকুল মোড় থেকে মিছিল নিয়ে ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ গেটের সামনে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর ইট-পাটকেল দিয়ে ছুঁড়ে। পরে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।’
ছাত্রদলের কার্যালয় ভাঙচুরের বিষয়ে উপজেলা শিবির সভাপতি বলেন, কে বা কারা ছাত্রদলের কার্যালয় ভাঙচুর করেছে তা আমাদের জানা নেই।
ঈশ্বরদী শহরের আমবাগান পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আফজাল হোসেন বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দুপক্ষই কলেজ ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গেছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
পতাকানিউজ/এসএমএইচ/আরবি

