দিনদিন পুকুরশূন্য নগরীতে পরিণত হচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগরী। আগে প্রতি এলাকাতেই দেখা মিলত ছোট-বড়ো পুকুর। কিন্তু এখন প্রায় সব পুকুর ভরাট হয়ে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন।
সিডিএ’র ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান অনুযায়ী চট্টগ্রাম শহরে ১৫ কাঠার উপরে সকল দিঘি-পুকুর সংরক্ষিত হিসেবে গণ্য হবে। পুকুরের উপর ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয়ারও সুযোগ নেই। পুকুর ভরাট নির্মাণ করে স্থাপনা নির্মাণ করতে গেলে সিডিএ, ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন। তবে, ভবন নির্মাণকারীরা এসব আইনের খুব একটা তোয়াক্কা করেন না। পরিবেশ অধিদপ্তরও অনেকটা ঢাল তলোয়ারবিহীন নিধিরাম সর্দারের মতো।
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ২৫ হাজার পুকুর, দিঘি ও জলাশয় ছিল। ১৯৯১ সালে জেলা মৎস্য বিভাগের জরিপ অনুযায়ী চট্টগ্রামে দিঘি বা জলাধারের সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ২৫০টি। ২০০৬-০৭ সালের সিডিএ’র সর্বশেষ জরিপে পাওয়া যায় চার হাজার ৫২৩টি জলাধার।
ছবিগুলো নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মোহাম্মদপুর মোহাম্মদীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার। এখানকার একমাত্র জলাধারটি ২০২১ সালের পর থেকে ধীরে ধীরে, রাতের আঁধারে ভরাট করা হয়। এখন সেখানে বহুতল ভবন গড়ে উঠার অপেক্ষা।
পতাকানিউজ/কেএস




