বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে থেকে সীমান্ত দাস (২৪) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার, ২০ অক্টোবর দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ফাঁস দেয়া সীমান্ত বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের লাকুরতলা গ্রামের বিজন দাসের ছেলে।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সামনে একটি শুকনো গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ থাকার খবর পেয়ে মরদেহটি পুলিশ উদ্ধার করে। পরে মরদেহটি বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি দিয়ে সীমান্ত আত্মহত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
কাইউম নামের এক যুবক জানান, ‘গতকাল রাত ১২টার দিকে আমি এই পথ দিয়ে বাইক নিয়ে যাচ্ছিলাম। তখন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাশের গোল চত্বরের কাছে চিকন করে একটা ছেলে দাঁড়িয়ে ডাক চিৎকার করছিল। তখন আমি বাইক থামিয়ে, কি হয়েছে তা জানতে চাই। তখন সে আমাকে বলে, আমাকে অসীম অনেক মারছে। কিন্তু আমি অসীমকেও চিনি না আর ওই ছেলেকেও চিনি না। তখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, অসীম কে? তখন সে বলে- ভাই আপনি এসপি স্যারকে ফোন দেন। যেহেতু রাত ১২টা অতিক্রম করেছে, আর ওই ছেলেকেও আমি চিনি না, তাই আমি ভাবছি ছেলেটা মানসিকভাবে অসুস্থ। তাই আমি বাসায় চলে যাই। পরে সকালে শুনি ছেলেটির লাশ পাওয়া গেছে।’
এ বিষয়ে বরগুনা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইউনুস আলী ফরাজী বলেন, ‘সোমবার দিবাগত রাত ২টার পর আমরা মরদেহটি উদ্ধার করেছি। সীমান্ত একটি মরা গাছের সঙ্গে নাইলনের দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।’
পতাকানিউজ/এএইচ/এমওয়াই

