তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীর পূর্বাচলে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট) বিশাল গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এতে লাখো মানুষের সমাগম ঘটে। তবে সমাবেশ শেষে সড়কজুড়ে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র।
বিকেলে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখা যায়, কয়েক কিলোমিটার সড়ক জুড়ে ছড়িয়ে আছে ময়লা-আবর্জনা। খাবারের উচ্ছিষ্ট, প্যাকেট, পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল, বাঁশ, প্ল্যাকার্ড, কাঠ ও ব্যানারসহ নানা ধরনের বর্জ্য পড়ে আছে সড়ক ও আশপাশের এলাকায়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে রাখা পলিথিন ব্যাগগুলোর অনেকগুলোই ব্যবহার হয়নি।
সড়ক বিভাজক ও ফুটপাতের ওপর থাকা গাছগুলোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চোখে পড়ে শতাধিক গাছ ভেঙে পড়ে থাকতে, অনেক গাছ নুয়ে গেছে। মঞ্চের সামনের অংশে থাকা কয়েকটি গাছ কেটে ফেলার চিহ্নও দেখা গেছে।
সমাবেশস্থলের আশপাশে মানববর্জ্যের তীব্র দুর্গন্ধও ছড়িয়ে পড়ে, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের বিষয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সমাবেশ শেষে বিএনপির একটি দলকে কিছু সময় ময়লা পরিষ্কার করতে দেখা যায়। তারা কয়েকটি ব্যাগে আবর্জনা ভরার পর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে স্থান ত্যাগ করেন।
পরে রাত ৯টার দিকে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আয়োজিত জনসমাবেশের কারণে ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে, বিমানবন্দর সড়ক ও সংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট বর্জ্য স্বেচ্ছাশ্রমে অপসারণ করবে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে বর্জ্য পরিষ্কারের কাজ শুরু হবে বলে জানানো হয়।
পতাকানিউজ/এআই

