বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রবিবার, ১১ জানুয়ারি দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দিনের আপিল শুনানিতে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।
এর আগে শুক্রবার, ২ জানুযারি জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না ও জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ এবং বগুড়া-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাদী আলম লিপির মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান, বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্নার হলফনামায় নানা অসংগতি ছিল। হলফনামায় ফৌজদারি মামলার কোনো তথ্য দেননি তিনি। হলফনামায় যে এফিডেভিট দিয়েছেন তা সম্পাদনের একদিন পর তিনি স্বাক্ষর করেছেন। তিনি সম্পদ বিবরণীর ফরম দাখিল করেননি। এসব অসংগতির কারণে তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।
পরে প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মাহমুদুর রহমান মান্না ইসিতে আপিল করেন। সেই আপিলের শুনানিতে তিনি প্রার্থিতা ফিরে ফেলেন।
প্রতিক্রিয়ায় মান্না সাংবাদিকদের বলেন, ‘মনোনয়ন বাতিলের পেছনে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত টেকেনি। আমি প্রথমেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমার বিশ্বাস ছিল—এই ষড়যন্ত্র টিকবে না। আমি আগেও বগুড়া থেকে নির্বাচন করেছি। এবারও করছি। অথচ আমাকে বিরোধিতা করতে যে কূটকৌশল করা হয়েছে, তা খুবই অশুভ ইঙ্গিত বহন করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে জেলা প্রশাসন বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠায়। না হলে মনোনয়ন বাতিলের কোনো কারণ ছিল না।’
ইসি সূত্রে জানা গেছে, আজ রবিবার ১১ জানুয়ারি ৭১ থেকে ১৪০ নম্বর আপিল, সোমবার ১২ জানুয়ারি ১৪১-২১০ নম্বর আপিল এবং মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী আপিল শুনানির তারিখ শিগগিরই জানিয়ে দেয়া হবে।
পতাকানিউজ/আরবি

