পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা ও টিউলিপ সিদ্দিকসহ অন্যদের বিরুদ্ধে তিন মামলায় আরও ৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সোমবার, ৬ অক্টোবর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এ বিচারক রবিউল ইসলামের আদালতে সোনালী ব্যাংকের গণভবন শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার গৌতম কুমার সিকদার, শরিফুল ইসলাম ও সিনিয়র অফিসার রিয়াদ মাহমুদ সাক্ষ্য দেন।
আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের জেরা করা হয়নি। আদালত সূত্রে জানা গেছে, তিনজন সাক্ষীই তিনটি মামলার প্রতিটিতেই সাক্ষ্য দিয়েছেন। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ আগামী ১৬ অক্টোবর নির্ধারণ করেছেন আদালত।
দুদকের বিশেষ পিপি তারিকুল ইসলাম জানান, এর আগে গত ১৩ আগস্ট এ মামলায় প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণ হয়। সে দিন দুদকের তিন কর্মকর্তা—উপপরিচালক সালাহউদ্দিন, সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ও এস এম রাশেদুল হাসান সাক্ষ্য দেন। পরে আরও ১৪ জন সাক্ষ্য দেন।
এ তিন মামলায় আসামি শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা, রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক, আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তী ও রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। তিনটি মামলায় মোট আসামি ৫৩ জন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই শেখ হাসিনা ও অন্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করার নির্দেশ দেন আদালত।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে অযোগ্য হয়েও পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ছয়টি প্লট বরাদ্দ নেন শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। এতে সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়।
দুদক ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এসব মামলা দায়ের করে এবং মার্চে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আসামিদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে।
শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়ের বাকি তিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ।
পতাকানিউজ/এআই

