বগুড়ার শিবগঞ্জে মা ও ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে নিহত রাণী বেগমের বাবা রফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা করেছেন। মামলায় একজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ বলছে, ঘটনার পর মোটরসাইকেলে থাকা ৩ যুবককে শনাক্তের চেষ্টা চলছে। তাদের পাওয়া গেলেই জোড়া খুনের রহস্য উদ্ধার সম্ভব হবে।
শিবগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুস শুকুর মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ঘটনার পরপর তিন যুবক মোটরসাইকেলে যাচ্ছেন। তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। তাদের পাওয়া গেলেই জোড়া খুনের রহস্য উদ্ধার করা সম্ভব হবে।’
পুলিশ পরিদর্শন আরও বলেন, ‘নিহত ইমরানের চাচাতো ভাই হাসান এখনও পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে থানায় রাখা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে উপজেলার শিবগঞ্জ ইউনিয়নের সাদুল্ল্যাপুর বটতলা গ্রামে মা রানী বেগম (৪০) ও তার ছেলে ইমরান হোসেনকে (১৮) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে দুর্বৃত্তরা বাড়ি থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার মোবাইল ও একটি মোটরসাইকেল লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ দুজনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। তবে হত্যার কারণ এখনও জানা যায়নি।
পতাকানিউজ/পিএম/আরবি

