প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমা চট্টগ্রামে বাঁশখালী উপজেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে টিনের নতুন ঘরের চাবি তুলে দিয়েছেন। রবিবার, ৯ আগস্ট দুপুর ১টা ২০ মিনিটে বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালীর বন্যা কবলিত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ঘরের চাবি তাদের হাতে তুলে দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী এসময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাথে কথা বলেন এবং তাদের পরিবারের খোঁজখবর নেন। তিনি সেখানে একটি মেহগনি গাছের চারা রোপণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, ত্রাণ ও দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
প্রসঙ্গত, গত ৭ জুলাই থেকে অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চল এবং নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। বন্যায় জলাবদ্ধতায় এসব এলাকার শত শত মানুষের ঘর-বাড়ি, পুকুর, জলাশয় ও ঘেরের মাছ পানিতে ভেসে যায়।
এখানে কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। সেখানে আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহর সাথে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ করবেন।
হেফাজত আমিরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পর প্রধানমন্ত্রী যাবেন পাশের হাটহাজারী উপজেলায়। সেখানকার আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় হেফাজতের প্রতিষ্ঠাতা আমির শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন সরকারপ্রধান।
এর আগে আজ সকাল পৌনে ১১টায় কক্সবাজারের মাতারবাড়ি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।
পতাকানিউজ/আরবি

