আগস্টের শুরু থেকেই দেশজুড়ে বেড়েছে বৃষ্টিপাত। বৃষ্টি ও উজানের ঢলে দেশের প্রায় সব অঞ্চলের নদ-নদীতে পানি বাড়ছে। তিস্তা ও পদ্মায় পানি বিভিন্ন পয়েন্টে বিপদসীমার কাছাকাছি বা এর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর এতেই দেশের অন্তত ১২ জেলায় বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন নদনদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কয়েকটি জেলায় ডুবে গেছে ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও চরাঞ্চল।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র গতকাল বুধবার, ১৩ আগস্ট সর্বশেষ বুলেটিনে জানিয়েছে, লালমনিরহাট, নীলফামারি, রংপুর, কুড়িগ্রাম, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, পাবনা, মানিকগঞ্জ, শরিয়তপুর, মাদারীপুর, মুন্সিগঞ্জ ও ঢাকার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
গতকাল দুপুরে দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বিপদসীমা (৫২.১৫ মিটার) থেকে ৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। সকালে এ উচ্চতা ছিল ৭ সেন্টিমিটার ওপরে।
পানি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব কয়টি (৪৪টি) জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। এতে রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছার তিস্তাবেষ্টিত চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকায়য় ডুবে গেছে সবজি,পাটক্ষেত ও রোপা আমন।
রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, ‘ভারত ফারাক্কা বাধের সব গেট খুলে দেওয়ায় পানি বেড়েছে। আমরা সর্বক্ষণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। টি-বাঁধ এলাকায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’
পতাকানিউজ/এফএম

