চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় শ্বশুরবাড়ির বাথরুমে পড়েছিলো সাদিয়া সুলতানা আরফি (১৯) মরদেহ। প্রতিবেশিদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করেছে। সে সময় ঘরের একটি কক্ষে বসে থাকা স্বামী মিজানুর রহমান রিদোয়ানকেও আটক করা হয়।
বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলার বরকল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কানাইমাদারি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সাদিয়া সুলতানা চন্দনাইশের পাশ্ববর্তী সাতকানিয়া উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের ৩নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা শহিদুল্লার মেয়ে। ৮ মাস আগে রিদোয়ানের সাথে সাদিয়ার বিয়ে হয়। মিজানুর রহমান রিদোয়ান বরকল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের গোলাম শরীফের পুত্র।
স্থানীয় শফিকুল ইসলাম জানান, স্বামী রিদোয়ান মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। বুধবার ভোরে স্ত্রীকে গলাটিপে হত্যা করে মরদেহ বাথরুমে ঢুকিয়ে রাখে। সকালে ঘরের দরজা খুলতে দেরি হওয়ার কারণে পরিবারের লোকজন ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে দেখে আরফির মরদেহ বাথরুমে পড়ে রয়েছে।
চন্দনাইশ থানার এসআই মো. নুর আমজাদ জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে রিদোয়ানের বাড়ি থেকে সাদিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিদোয়ানকে আটক করা হয়েছে। আমরা যখন যাই তখন রিদোয়ান অন্য একটি রুমে দরজা বন্ধ করে বসেছিল।
সাদিয়া সুলতানা আরফির শরীরের বিভিন্ন অংশে কিছু আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে জানিয়ে এসআই আমজাদ জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পতাকানিউজ/এসজিএন

