বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার দ্বিতীয় বাইপাসের বেতগাড়ি এলাকায় বাসের ধাক্কায় নিহত গৃহবধূর মরদেহ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা–বগুড়া মহাসড়ক অবরোধ করে রাখা হয়। পরে বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশারফ হোসেনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার বিকেলে বেতগাড়ি এলাকায় একটি যাত্রীবাহী বাস পেছন থেকে একটি ইজিবাইককে ধাক্কা দেয়। এতে জুয়েলের স্ত্রী চামেলি খাতুন গুরুতর আহত হন। পরে রাত দুইটার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন আহত হন। আহত দুই বছরের শিশু সন্তান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এদিকে আজ সকালে চামেলির মরদেহ নিয়ে বেতগাড়ি লিচুতলা বাইপাস মোড়ে অবস্থান নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে মহাসড়কের দুপাশে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। কয়েক হাজার মানুষ সেখানে জড়ো হন। স্থানীয়দের দাবি, ঝুঁকিপূর্ণ এই মোড়ে দ্রুত ফ্লাইওভার নির্মাণ করতে হবে এবং নিহত ও আহত পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হবে।
অপরেদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বগুড়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোশাররফ হোসেন। তিনি উপস্থিত জনতার সঙ্গে কথা বলেন এবং দুর্ঘটনা রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। আহত শিশু সন্তানের চিকিৎসার জন্য তিনি ২০ হাজার টাকা সহায়তা দেন। আশ্বাসের পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। তবে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আবারও কর্মসূচি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
বগুড়া জেলা হাইওয়ের পুলিশ সুপার আবু তোরাব মো. শামছুর রহমান জানান, ওভারপাস নির্মাণের ব্যাপারে স্থানীয়রা দাবি জানিয়েছেন। আমরা এ ব্যাপারে আলোচনা করব। আর জনগণের সচেতনতা বাড়াতে হবে। হাইওয়ে দিয়ে অটোরিকশা চলাচল বন্ধে সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।
পতাকানিউজ/পিএম/আরবি

