টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছি তিস্তা নদীর পানি। এতে নদীর তীরবর্তী জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। রবিবার, ৫ অক্টোবর বিকেলে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এক বিশেষ বার্তায় জানিয়েছে, লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ৮২ সেন্টিমিটার বেড়ে সন্ধ্যা ৬টায় বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বিশেষ সতর্ক বার্তায় বলা হয়, ভারী থেকে অতি-ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীসমূহ আগামী ১২ ঘণ্টায় বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ নদীর পানি বাড়ায় তীরবর্তী এলাকা প্লাবিত হতে শুরু করেছে। ডুবে গেছে মাছের খামার, আমন ধান ও সবজির ক্ষেত। চরাঞ্চলের রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় নৌকাই এখন একমাত্র চলাচলের মাধ্যম হয়ে উঠেছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে আজ সকাল ৬টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭২ সেন্টিমিটার নিচ প্রবাহিত হয়। তবে দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হু হু করে বাড়তে শুরু করে নদীর পানি। পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট যথারীতি খোলা রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিপাতের প্রভাবে আজ (রবিবার) ও কাল (সোমবার) তিস্তার পানি বেড়ে নদী অববাহিকায় বন্যা দেখা দিতে পারে।’
পতাকানিউজচ/এইচএবি/আরবি

