ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী অফিসের নির্বাহী পরিচালক মো. মেজবাউল হক।
আজ মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এ পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন মেজবাউল হক। যা আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।
তবে, সরকারের পক্ষ থেকে মেজবাউল হককে জোরপূর্বক অপসরণের কথা জানিয়ে গভর্নরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে।
জানা গেছে, রিজার্ভ চুরির ঘটনায় মেজবাউল হকের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার পর তাকে বাধ্যতামূলক অবসরের নির্দেশ দেয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ (এফআইডি)। তাকে পদত্যাগের জন্য চিঠি ইস্যু করা হয়।
গণ-অভ্যুত্থানের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, দুই ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান ও নীতি উপদেষ্টা পদত্যাগে বাধ্য হন। তারা সবাই চুক্তিভিত্তিক কর্মরত ছিলেন। তবে পট পরিবর্তনের পর এই প্রথম কোনো নিয়মিত কর্মকর্তা পদত্যাগ করলেন।
মেজবাউল হক ২০২২ সালের ডিসেম্বরে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পান। ওই দিনই তাকে মুখপাত্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন।
শেখ হাসিনার ছেলে ও আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত এই কর্মকর্তাকে গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রধান কার্যালয় থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রাজশাহী অফিসে বদলি করা হয়।
প্রসঙ্গত, মেজবাউল হক ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকে সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিসংখ্যান বিভাগে এমএসসি এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইন্সটিটিউট (আইবিএ) থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।
পতাকানিউজ/আইবিএম

