ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় রেস্টুরেন্টে গুলির ঘটনায় মো. ইয়াছিন (২০) নামে আরও একজন মারা গেছেন। ইয়াছিন রেস্টুরেন্টের কর্মচারি ছিলেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দুইয়ে দাঁড়ালো।
শনিবার, ১ নভেম্বর রাতে গুলির ঘটনার কয়েকঘণ্টা পর আজ ভোরে মো. শিপন শাহ্ (৩৮) নামে একজন ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। গুলির ঘটনায় আহত আরও দুজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
এদিকে ঘটনার পর নিহতের পক্ষের লোকজন হামলা চালিয়ে একজনকে গুলিবিদ্ধসহ কয়েকজনকে আহত করেন। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
নিহত শিপন উপজেলার বড়িকান্দি ইউনিয়নের নূরজাহানপুর গ্রামের আব্দুল মোন্নাফের ছেলে। এ ঘটনায় আহত নূর আলমও রেস্টুরেন্টের কর্মচারি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নূরজাহানপুর গ্রামের শিপনের সঙ্গে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে থোল্লাকান্দি গ্রামের রিফাতের বিরোধ চলছিল। এর জেরে শনিবার রাত আটটায় গণিশাহ মাজারের পাশের রেস্টুরেন্টে বসে থাকা শিপনের ওপর গুলি চালায় রিফাত। এসময় শিপনসহ রেস্টুরেন্টের দুই কর্মচারি আহত হন।
নবীনগর থানার ওসি মো. শাহীনুর ইসলাম বলেন, ‘ডাকাতির পণ্য ভাগ-ভাটোয়ারা নিয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত রিফাতকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে শিপনের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ দেয়নি।’ ইয়াছিনের মৃত্যুর খবর সন্ধ্যার পর জেনেছেন বলে জানান ওসি।
পতাকানিউজ/বিপিবি/আরবি

